সংবাদ শিরোনামঃ
দেবহাটায় অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শাঁখরা-কোমরপুর বেইলি ব্রিজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন,খুব শিগগিরই এখানেই পাকা ব্রিজ নির্মাণ করব,আলহাজ্ব আব্দুর রউফ কয়রায় কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করণ সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী এবং চেক ও ফলজ বৃক্ষ বিতরণ দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা বুধবার*স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন— বড়কুপুটে ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমায় দক্ষযজ্ঞ ও শিবের মহাতাণ্ডব মাটি ও ফাইবারে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে পুরাণের হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যপট কালিগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নলতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগর গাবুরায় বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা মঙ্গলবার*স্মার্ট হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ রোগী দেখবেন
ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ল, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হল ঘূর্ণাবর্ত, রাত পোহালেই নিম্নচাপের সম্ভাবনা জানিয়েছে হাওয়া অফিস 

ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ল, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হল ঘূর্ণাবর্ত, রাত পোহালেই নিম্নচাপের সম্ভাবনা জানিয়েছে হাওয়া অফিস 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার নিম্নচাপ তৈরি হলে, তা আরও ঘনীভূত হয়ে সোমবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় ঘিরে তৎপর হয়েছে রাজ্য প্রশাসন। সতর্ক হয়েছে ওড়িশা সরকারও।

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’! আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মতোই শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হল। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার সকালেই নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। এই নিম্নচাপই পরবর্তী সময়ে আরও গভীর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে, তার নাম হবে ‘মোকা’।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার নিম্নচাপ তৈরি হলে, তা আরও ঘনীভূত হয়ে সোমবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর পর আরও শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড় পরিণত হয়ে উত্তর দিক বরাবর মধ্য বঙ্গোপসাগরে দিকে অগ্রসর হবে।

ঘূর্ণিঝড় পরিণত হলে, তা কোন পথে এগোবে? কোন দিকে তার অভিমুখ হবে? সে সম্পর্কে এখনই কিছু জানায়নি আবহাওয়া দফতর। রবিবার নিম্নচাপ তৈরি হলেই এ ব্যাপারে স্পষ্ট ভাবে জানা যাবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরির পর সামগ্রিক পরিস্থিতির উপর সর্বদা নজর রাখছেন আবহবিদরা।

ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় ঘিরে তৎপর হয়েছে রাজ্য প্রশাসন। বিধাননগর এলাকায় গাছ কাটা শুরু হয়েছে। দুর্যোগ সামলাতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি কলকাতা কর্তৃপক্ষের। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ওড়িশাতেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। সে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিকে আগাম প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত কয়েক বছরে মে মাসে একের পর এক ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। ২০২০ সালে ধেয়ে এসেছিল ঘূর্ণিঝড় ‘আমপান’। যার তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। লন্ডভন্ড হয়েছিল কলকাতাও। পরের বছর, ২০২১ সালে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’। ২০২২ সালের মে মাসে তৈরি হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। ওই বছরের অক্টোবর মাসে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’। আশঙ্কা সত্যি হলে, আবার মে মাসে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসতে পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *